ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে উপচেপড়া ভিড়

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৫, ০০:২৯

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারাস্থ দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্কে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ছুটিতে নানা বয়সের পর্যটক-দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে। গত শনিবার ঈদুল ফিতরের দিন থেকে গত তিনদিনে পার্কে গড়ে ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার পর্যটকের সমাগম হয়েছে। এতে পার্কের রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ঈদের দিন শনিবার টিকেট বিক্রি হয়েছে এক লাখ ৭৬ হাজার টাকার, দ্বিতীয় দিন টিকেট বিক্রি হয়েছে ৯৭ হাজার ২৭৬ টাকার ও ততৃীয় দিন সোমবার টিকেট বিক্রি হয়েছে দুই লাখ ৩৮ হাজার টাকার। আর মঙ্গলবার টিকেট বিক্রি হয়েছে প্রায় লক্ষাধিক টাকার। প্রাকৃতিক পরিবেশ অনুকূলে থাকলে আগামী কয়েকদিন পার্কে প্রচুর পরিমাণ দর্শনার্থী সমাগম হবে এমন ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 
ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের বিট কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক পরিবেশ অনুকূলে থাকলে শুক্রবার ও শনিবার সরকারি ছুটির দিনে পার্কে প্রচুর পর্যটক-দর্শনার্থীর সমাগম ঘটবে। এতে পার্কের রাজস্ব আয়ের পরিমাণ আরো বাড়তে পারে। তিনি বলেন, পার্কে পর্যটক-দর্শনার্থীদের মাঝে বিনোদন নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে পার্ককে ঢেলে সাজানো হয়েছে। সংগ্রহ করা হয়েছে শত প্রজাতির বিলুপ্ত প্রায় দেশি-বিদেশি জীববৈচিত্র্য।
 

সাফারি পার্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নুরুল হুদা বলেন, পার্কে ভ্রমণে এসে পর্যটক-দর্শনার্থীরা উপভোগ করেছেন বিলুপ্ত প্রায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির জীববৈচিত্র্য। তার মধ্যে বাঘ, সিংহ, ভল্লুক, ওয়ালবিষ্ট, গয়াল, চিত্রা হরিণ, মায়া হরিণ, হাতি, মিঠা পানির কুমির, নোনা পানির কুমির, হনুমান, বানর, অজগর সাপ, ময়ূর ও হরেক প্রজাতির পাখি রয়েছে। তিনি আরো বলেন, পার্কের দৃষ্টিনন্দন পর্যটন স্পট, বেষ্টনীর ভেতর বিচরণরত বন্যপ্রাণীগুলো দর্শনার্থীরা পায়ে হেঁটে কিংবা পার্কের পরিবহনে করে দেখার সুযোগ পেয়েছে।  সুউচ্চ অণুবীক্ষণ টাওয়ারে উঠে পুরো পার্কের মনোরম দৃশ্য দেখছে ভ্রমণ পিপাসুরা।