ঠাঁই নেই লঞ্চে আকাশ পথেও বিড়ম্বনা

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৫, ০০:৫৬

ঈদের ছুটি শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে কর্মস্থলগামী মানুষের ঢল নেমেছিলো বরিশাল লঞ্চ স্টেশনে। সপ্তাহের শেষ দিনে এখান থেকে এক ডজনেরও বেশি লঞ্চ গতকাল যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হয়। এর মধ্যে পারাবত কোম্পানির ৩টি এবং কীর্তনখোলা, সুন্দরবন ও সুরভী কোম্পানির দুইটি করে লঞ্চের বাইরে ঢাকামুখী যাত্রী পরিবহন করছে টিপু, ফারহান-৮ ও দ্বীপরাজ।

 
দুপুরের পরই নৌ-বন্দরে ঢাকাগামী যাত্রীদের ঢল নামে। হাজার হাজার যাত্রী সামাল দিতে র্যাব-পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়েছে। ধারণ ক্ষমতার তিনগুণ যাত্রী নিয়ে লঞ্চগুলো নির্ধারিত সময়ের ২/৩ ঘণ্টা আগেই নৌ-বন্দর ত্যাগ করতে বাধ্য করেন সেখানে কর্তব্যরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী।
 
লঞ্চ চালক ও স্টাফরা জানান, ঈদের পর গতকালই সর্বোচ্চ সংখ্যক যাত্রী ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছে। আজ শুক্রবার থেকে কর্মস্থলগামী যাত্রীর চাপ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ মালিক তাদের লঞ্চ স্পেশাল সার্ভিসে যুক্ত করবেন না। সর্বশেষ স্পেশাল সার্ভিসে তারা বিপুল সংখ্যক যাত্রী পেয়েছেন। আজ তাদের রোটেশনের বাইরে ২/১টি কোম্পানির অতিরিক্ত লঞ্চ থাকতে পারে।
 

নৌ-পথে যখন কর্মস্থলগামী মানুষের উপচে পড়া ভিড় ও নৌযানগুলোতে স্থান সংকুলান হচ্ছে না তখন আকাশ পথের যাত্রীরাও নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। মঙ্গলবার ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমান কোনো প্রকার ঘোষণা ছাড়াই ফ্লাইট বাতিল করে। ঐদিন ৭২ জন যাত্রী আটকা পড়েন। অনেক বিড়ম্বনার পর বুধবার ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইট এসে যাত্রীদের ঢাকায় নিয়ে যায়। ২০ মিনিটের যাত্রার জন্য ঢাকা ও বরিশাল প্রান্তের যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ২৪ ঘণ্টা। বেসরকারি বিমানের এ অবস্থার মাঝে সরকারি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আরো উদাসীনতার পরিচয় দিয়েছে যাত্রী পরিবহনে। ঈদ উপলক্ষে সকল রুটে ফ্লাইট বৃদ্ধি ও ভাড়া কমানো হলেও এ রুটে ফ্লাইট বৃদ্ধি করা হয়নি। ভাড়া কমানোর বিষয়টি জানে না বিমান যাত্রীরা। তার উপরে সিডিউল অনুযায়ী পতাকাবাহী এ বিমান যাত্রী নিয়ে ঠিকমত উড়ছে না বরিশালের আকাশে।