বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে জেলার টেকনাফ উপজেলায় টানা চারদিন ধরে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। জোয়ারের পানি ও পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে ভারি বর্ষণে প্লাবিত হয়েছে উপকূলীয় উপজেলার ২০টি গ্রাম। এসব গ্রামের ঘরবাড়ি, পানের বরজ ও চিংড়ির ঘের ছাড়াও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে গাছ উপড়ে ও রাস্তার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় শনিবার মধ্যরাত থেকে সড়কে যান চলাচল বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
টানা বৃষ্টিপাতের কারণে দুইদিন ধরে টেকনাফ-শাহপরীরদ্বীপের মধ্যে নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
শাহপরীরদ্বীপের ইউপি সদস্য আবদুল সালাম জানান, গত চারদিনের ভারি বর্ষণে শেষ সীমান্তের ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। অনেক ঘরবাড়ি ও চিংড়ি ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া উপজেলার হ্নীলা ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ৫/৬টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হামিদুর রহমান জানান, ভারি বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে জালিয়াপাড়া, ক্যাম্পপাড়া, বিলপাড়া, দক্ষিণ উত্তরপাড়া, মগপাড়া, মাঝেরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, ডাঙ্গরপাড়া, মিস্ত্রিপাড়া, ঘোলাপাড়া, হারিয়াখালী, ঝিনাপাড়া, হাজীপাড়া, বাজারপাড়া, পশ্চিম উত্তরপাড়া, মাঝের ডেইল, কোনাপাড়া, কাটাবনিয়া, কচুবনিয়া, হাদুরছড়া, মুন্ডার ডেইল, লাফারঘোনা গ্রাম।
পাউবোর টেকনাফের উপসহকারী প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন জানান, সাবরাং ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের জন্য ১০৭ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
