শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী নির্বাচন: তোফায়েল আহমেদ

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০১৫, ০২:০১

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক বা অন্য কোন সরকার ব্যবস্থা নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে ২০১৯ সালের আগে নির্বাচন হবে না। এর আগে নির্বাচনের নামে দেশে সহিংসতা সৃষ্টি করলে তার ফল ভালো হবে না।

 
গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ন্যাপের প্রেসিডিয়াম সদস্য আমেনা আহমেদ এমপির সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, জাসদ সাধারণ সম্পাদক শরিফ নুরুল আম্বিয়া, সাম্যবাদি দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম, বাসদের মো. রেজাউর রশীদ খান, ন্যাপের এনামুল হক প্রমুখ। সভায় টেলিফোনে ন্যাপ সভাপতি ও প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর অন্যতম সদস্য অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ সভায় উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সমাজ পরিবর্তনশীল। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শোষণমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে হবে। এ সময় শারীরিক অসুস্থতার কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হতে পেরে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
 

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন না হলে দেশে সামরিক শাসন কায়েম হতো। খালেদা জিয়া রাজনীতির হিসাব মানেন না। নির্বাচন ব্যাহত করতে তিনি দেশে আন্দোলনের নামে অনেক বাবা-মাকে পুত্র হারা করেছেন। অনেক বোনকে ভাই হারা করেছেন। ২৪ জন পুলিশ হত্যা করেছেন। রাশেদ খান মেনন বলেন, মৌলবাদী শক্তি বিএনপির সঙ্গে মিলে গণতন্ত্র-স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ধবংসের পরিকল্পনা করছে। দেশকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষা করতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।  শেখ শহীদুল ইসলাম বলেন, ১৪ দল ঐক্যবদ্ধ থাকায় সরকার গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে সক্ষম হয়েছে। এখন সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দিলীপ বড়ুয়া বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে ১৪ দলের শরীক নেতাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।