লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রামে বিজিবি সদস্য ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়া হত্যা মামলার পাঁচ আসামি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। সোমবার (৪ মার্চ ২০১৯) লালমনিরহাট বিজ্ঞ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন ওই পাঁচ আসামি।
তারা হলেন- দহগ্রামের কাতিপাড়া এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে তহিদুল ইসলাম (৪০), কাশেম আলীর ছেলে ফয়েজ আলী (৫০), সমের ফকিরের ছেলে হারুন (৩০), আব্দুর রশিদের ছেলে রব্বানী (২৮) ও ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে লিটন মিয়া (২৫)।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৬ জুন গভীর রাতে গরু চোরাকারবারিদের ধরতে বিজিবির একটি টহল দল তিস্তা নদীর আবুলের চর এলাকায় অভিযান চালায়। চোরাকারবারিদের গরুসহ ধাওয়া করতে গিয়ে তিস্তা নদীর কিনারে যায় তারা। এ সময় টহল দলের অপর সদস্য টুটুল মিয়া গরু ধরতে নদীতে নামেন। তিনি নদীর গভীর পানিতে ডুবে যাওয়ার সময় চিৎকার করলে একই টহল দলের সদস্য সুমন মিয়া নদীতে নামেন। নদীতে নেমেই তিনি নিখোঁজ হন।
আরো পড়ুন: আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সাজছে কুমুদিনী
নিখোঁজের দুই দিন পর তিস্তা নদীর প্রায় চার কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে ১৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের একটি দল সুমনের লাশ উদ্ধার করে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। এ ঘটনায় বিজিবি দুটি মামলা দায়ের করে।
মামলায় কয়েকজন জামিনে থাকলেও দীর্ঘদিন থেকে পলাতক থাকার পর সোমবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে পাঁচ আসামি। নিহত বিজিবি সদস্য সুমন মিয়ার বাড়ী সিলেটের হবিগঞ্জ জেলায়।
ইত্তেফাক/অনি
