সাত বছরের শিশু ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে ১৪ বছর আগে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া শুক্কুর আলীর ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের শুনানি শুরু হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে।
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ শুনানি সোমবার পর্যন্ত মুলতবি করেছেন।
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড ট্রাস্ট সার্ভিসের (ব্লাস্ট) পক্ষে রবিবার প্রথম দিনে শুনানি করেন এম কে রহমান। তিনি দণ্ড থেকে শুক্কুর আলীকে রেহাই দিতে যুক্তি দেখান যে, বিচারিক আদালতের রায়ের সময় তার বয়স অল্প থাকায় তাকে সর্বোচ্চ দণ্ড দেয়া ঠিক হয়নি। তাছাড়া আইনের যে দু’টি ধারায় বিচার করে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল, হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ যেহেতু ধারা দু’টি অবৈধ ঘোষণা করেছেন, সেহেতু তাকে দণ্ড থেকে রেহাই দেয়া যায়।
শিশু ধর্ষণ-হত্যার ঘটনার সময় মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার শিবরামপুর গ্রামের শুক্কুর আলী ছিল ১৪ বছরের কিশোর। বিচারিক আদালতের রায় প্রদানের সময় তার বয়স দাঁড়ায় ১৯ বছর। রায়ের সময়কার বয়স বিবেচনায় নিয়েই তাকে সর্বোচ্চ সাজা দেন আদালত।
পরে হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। এমনকি আপিল বিভাগে করা রিভিউ আবেদনেও সাজা কমেনি বা অব্যাহতি পাননি শুক্কুর। রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় এখন ফের রিভিউ করেছেন দণ্ড থেকে রেহাই পেতে।
১৯৯৬ সালের ১১ জুন শুক্কুর আলী মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার শিবরামপুর গ্রামের সাত বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে।
