একই পৈশাচিক কায়দায় ঢাকায় আরেক শিশু হত্যা

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০১৫, ০০:২৪

পৈশাচিক। গা শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। আট-নয় বছরের এক শিশুকে পিটিয়ে ও গরম আয়রণ দিয়ে ছ্যাঁকা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তাকে হত্যার পর লাশ একটি লাগেজে ভরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগের নার্সিং হোস্টেলের পশ্চিম পাশের রাস্তায় ফেলে দেয়া হয়।

 
সোমবার রাত দেড়টার দিকে পথচারীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ লাগেজটি খুলতেই এক শিশুর রক্তাক্ত দেহ বেরিয়ে আসে। শিশুর পিঠের চামড়া তুলে ফেলা হয়েছে। মলদ্বার দিয়ে বায়ু প্রবেশ করানো হয়েছিল। গতকাল রাত ৯ টা পর্যন্ত অজ্ঞাত ঐ শিশুর পরিচয় মিলেনি।
 
শাহবাগ থানার এসআই মইনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি কালো রঙের লাগেজ দেখতে পায়। লাগেজের চেইন খুলতেই ভিতরে ছেলে শিশুর লাশ পাওয়া যায়। লাশের শরীরে আঘাতের চি?হ্ন। পিঠের চামড়া তুলে ফেলেছে ঘাতকরা। শরীরের বিভিন্ন স্থানে গরম আয়রণের ছ্যাঁকা দেয়ার চিহ্ন রয়েছে। পরনে ছিল গোলাপী রঙের হাফ হাতা গেঞ্জি ও গ্যাভাডিনের হাফ প্যান্ট। ধারণা করা হচ্ছে, ঐ শিশুটি কোন বাসায় গৃহকর্মী ছিল। শরীরের আঘাতের চি?হ্ন ২/৩ দিন আগের। ঐ পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
 

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. কাজী আবু শামা জানান, লাশের ময়না তদন্ত করা হয়েছে। শরীরের বিভিন্নস্থানে মারধর ও পিঠের চামড়া তুলে নেয়ার চি?হ্ন রয়েছে। এছাড়া তার মলদ্বারে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তার মলদ্বার দিয়ে বায়ু প্রবেশ করানো হয়েছিল। এমনকি ধাতব কোন তার জাতীয় জিনিস মলদ্বার দিয়ে প্রবেশ করনোর চেষ্টা করেছিল ঘাতকরা।