পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসে ২০ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয় বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে মাইডাস সেন্টারে এই সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ক্ষেত্রে এককভাবে ২০ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। আর গোষ্ঠীগতভাবে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়।
টিআইবি বলেছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে কোচিং সেন্টার, বেসরকারি কিছু অংশীজনের পাশাপাশি প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ছাপানো ও বিতরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশ জড়িত। আর ফাঁস করা প্রশ্নপত্র ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত বেসরকারি পর্যায়ের মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেতা-কর্মী, বিশেষ করে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের একটি অংশ, কোচিং সেন্টার, গাইড বই ব্যবসায়ী, ফটোকপির দোকান, শিক্ষার্থী ও তাদের বন্ধুবান্ধব, অভিভাবকের একাংশ।
প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে টিআইবি সাতটি সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, ছাপানো ও বিতরণের কাজটি ডিজিটালভাবে করা, আইনে শাস্তির মেয়াদ বাড়িয়ে যথাযথ প্রয়োগ ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর তদারকি বাড়ানোর সুপারিশ রয়েছে।
প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন টিআইবির রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের উপ-কর্মসূচি ব্যবস্থাপক নীহার রঞ্জন রায় ও রুমানা শারমিন।
