ছোট্ট শরীরে ৫৭টি আঘাতের চিহ্ন। শরীরের কোন জায়গা আঘাত থেকে রক্ষা পায়নি। এমনকি শিশুটির চোখের নিচে কালচে দাগ। চোখের দুই কোনা দিয়ে অশ্রু ঝরতে ঝরতে কালো দাগের চিহ্ন দুই গালে এসে ঠেকেছে। কত কষ্টই না পেয়েছে আট বছরের শিশুটি। কি নিষ্ঠুর আচরণ করা হয়েছে তার সঙ্গে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কম্পাউন্ডে নার্সিং কলেজের সামনে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা লাগেজের ভেতর থেকে গত সোমবার রাত ১টা ২০ মিনিটে উদ্ধার করা হয় আট বছরের ওই শিশুটির লাশ। এখনো মেলেনি তার পরিচয়। কে তার বাবা, কে তার মা! কোথায় ছিল শিশুটি, কার তত্ত্বাবধানে ছিল কী-ই বা করতো কিছুই এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। আর তার পরিচয় জানতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দেশের সবকটি থানায় বার্তা পাঠিয়েছে।
শাহবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু বক্কর সিদ্দীক বলেন, মনে হচ্ছিল শিশুটিকে অনেক আগে থেকে নির্যাতন করা হতো। নির্যাতনের পর তার চিকিত্সা বাসাতেই করা হয়েছিল। একপর্যায় শিশুটির মৃত্যু হলে এভাবে ফেলে দিয়ে যায় ঘটনায় জড়িতরা। তিনি বলেন, শিশুটিকেও ঠিক মত খেতেও দেয়া হতো কী না সন্দেহ। কারণ, সুরতহালের সময় দেখা গেছে তার শরীর কিছুটা কঙ্কালসার হয়ে গেছে। বুকের সঙ্গে পেট একাকার হয়ে গেছে।
