অপরাধী সংগঠন হিসাবে জামায়াতের বিরুদ্ধে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ রয়েছে। বর্তমান সময়টিই জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার প্রকৃষ্ট সময়। যুদ্ধাপরাধীদের শুধু ফাঁসিতে ঝুলালেই চলবে না, সাথে সাথে তাদের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করতে হবে। বর্হিবিশ্বে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হলে তাদের কবর সে দেশে দেয়া যায় না। বাংলাদেশেও তা হওয়া উচিত ছিল। রাজাকারদের কবরের পাশে ঘৃণাস্তম্ভ নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি। কবরের নামফলকে তাদের অপরাধের বিবরণ থাকতে হবে।’
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভার আয়োজন করে সেক্টর কমান্ডারস্ ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ ’৭১।
লেখক ও কলামিষ্ট হারুন হাবীবের সঞ্চালনা ও মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউল্লার সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক এডিশনাল আইজিপি ও বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম, প্রযুক্তিবিদ মোস্তফা জব্বার, ও বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা ফরিদউদ্দিন মাসউদ প্রমুখ।
