মানিলন্ডারিং: প্রভাবশালীর আত্মীয়রাও থাকবে নজরদারিতে

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০১৫, ২২:০৬
 
রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার, মূল্যবান ধাতু ও পাথরের ব্যবসায়ী, ট্রাস্ট ও কোম্পানী সেবা প্রদানকারী, আইনজীবী, নোটারি, অন্যান্য আইন পেশাজীবী এবং একাউন্টেন্ট কর্তৃক মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ ও সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ এর বিধানসমূহ যথাযথভাবে পরিপালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সম্প্রতি প্রজ্ঞাপন জারী করেছে। এদিকে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্য ও তাদের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীক সম্পর্ক স্থাপনসহ প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিষয়গুলো তাদের উপর প্রযোজ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
 
প্রজ্ঞাপনে, উল্লিখিত রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাসমূহকে তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে একটি নিজস্ব নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহক পরিচিতির যথাযথ তথ্য সংগ্রহ এবং উক্ত তথ্য যাচাই করতে হবে মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া গ্রাহকের ঝুঁকি বিবেচনাপূর্বক ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপনের পূর্বে বা ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপনের সময় তাদের পরিচিতি যাচাই করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন গ্রাহকের প্রতিটি লেনদেনের ক্ষেত্রে বাত্সরিক ভিত্তিতে তাদের পরিচিতি হালনাগাদ এবং অন্যান্য গ্রাহকের ক্ষেত্রে একটি লেনদেন সম্পাদনের ২ বছরের মধ্যে পরিচিতি হালনাগাদ করার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়া গ্রাহক পরিচিতির সন্তোষজনক তথ্য প্রাপ্তি এবং যাচাই করা সম্ভব না হলে উল্লিখিত রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাসমূহ কর্তৃক এরূপ গ্রাহকের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপন না করা বা তাদের সাথে স্থাপিত সম্পর্ক বন্ধ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদেশী রাজনৈতিক ব্যক্তি, প্রভাবশালী ব্যক্তি বা আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান বা উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আর এসব ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নির্দেশনা তাদের পরিবারের সদস্য ও তাদের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত ব্যক্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা অন্যান্য রিপোর্ট প্রদানকারী সংস্থাসমূহের মত নগদ লেনদেন রিপোর্ট এবং সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট করার বিধান রাখা হয়েছে।