দৈনিক জনকণ্ঠের সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদ এবং নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়ের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে দেয়া রুলের শুনানি চলছে। আপিল বিভাগের বৃহত্তর বেঞ্চে এই শুনানিতে বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকসহ চারজনকে সাক্ষী করার আবেদন করেছে জনকণ্ঠ।
সোমবার সকালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চে এই শুনানি শুরু হয়।
সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর মামলার রায় নিয়ে আগাম মন্তব্য করে কলাম প্রকাশ করায় দৈনিক জনকণ্ঠের বিরুদ্ধে জারি করা রুলের শুনানি দ্বিতীয় দিনের মত শুরু হয়।
আদালতে জনকণ্ঠের পক্ষে শুনানি করছেন অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন দোলন। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানি করছেন।
শুনানির এক পর্যায়ে জনকণ্ঠের আইনজীবী সাকা চৌধুরীর মামলা নিয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে অন্য এক বিচারপতির কথোপকথনের রেকর্ড আদালতে পড়া শুরু করলে এজলাসের ভিতরেই আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতা অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন এমপি তীব্র আপত্তি জানান। ফলে আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। পরে প্রধান বিচারপতি বিষয়টি নিবৃত্ত করেন।
আদালতে বিপুল সংখ্যক আইনজীবী, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত রয়েছেন। এ ছাড়া জনকণ্ঠের সম্পাদক মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদ ও নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়, সাংবাদিক নেতা মনজুরুল আহসান বুলবুল উপস্থিত আছেন।
এর আগে গতকাল আদালত পত্রিকাটির সম্পাদক-প্রকাশক ও মুদ্রাকর মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদ এবং নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়কে ওই কলামের বিষয়ে সব ধরনের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে হাজির থাকতে আদেশ দেন।
