চিত্রনায়ক রিয়াজ। এক সময় বড়পর্দায় নিয়মিত ও জনপ্রিয় এই অভিনেতা এখন পুরোদস্তুর ছোটপর্দার অভিনেতা। সারাবছরই এখন নাটকের সিডিউলে ব্যস্ত তিনি। ঈদ এলে কাজের ব্যস্ততা বেড়ে যায় আরো। গত রোজার ঈদের মতো সামনের কোরবানির ঈদেও অনেকগুলো নাটকে দেখা যাবে রিয়াজকে। পাশাপাশি বিবিসি’র ‘উজান গাঙের নাইয়া’র দ্বিতীয় সিরিজে অভিনয় করছেন তিনি। নতুন এই কাজটি ও নিজের সার্বিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে।
কাজের ব্যস্ততা?
ঈদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছি এখন। রোজার ঈদের পরপরই তো কোরবানির ঈদের ব্যস্ততা। পাশাপাশি নিয়মিত কাজগুলো চলছে। ‘উজান গাঙের নাইয়া’র দ্বিতীয় সিরিজের কাজ করলাম। বেশ ভালো একটি কাজ হয়েছে। ‘উজান গাঙের নাইয়া’ নাটকটি খুব সুন্দর একটি গল্পের মাধ্যমে মা ও শিশুস্বাস্থ্য বিষয়ে দরকারী তথ্যগুলো খুব সহজভাবে দর্শকদের সামনে তুলে ধরেছে।
নাটকটিতে আপনার চরিত্রটি সম্পর্কে বলুন।
সমাজের একদল প্রান্তিক মানুষ, মা ও শিশুস্বাস্থ্য নিয়ে যাদের জ্ঞান ও সচেতনতার অভাব রয়েছে তাদের মাঝে একজন মানবিক গুণসম্পন্ন ডাক্তার যে কতটা বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন সেটিরই বড় প্রমাণ ডাক্তার নাইমের চরিত্রটি। এই চরিত্রটি থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। এই নাটকে কাজ করার সময় আমার স্ত্রীও গর্ভবতী ছিল। কিন্তু গর্ভবতী মায়ের যত্ন নেওয়া বা তার কোনো ধরনের সমস্যা হতে পারে কিংবা কী ধরনের খাওয়া-দাওয়া করতে হবে সে সম্পর্কে আমার বিশেষ কিছু জানা ছিল না। ফলে এই নাটকে কাজ করতে গিয়ে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আমিও অনেক কিছু জানতে পেরেছি।
ভিন্নধর্মী এই কাজটি করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
ধন্যবাদ বিবিসিকে এমন একটি কাজের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য। বাংলাদেশে সচরাচর যে ধরনের কাজ হয় তার সাথে বিবিসি’র কাজের তুলনা করতে গিয়ে মনে হয়েছে বাজেট ও কারিগরি মানের দিক দিয়ে বিবিসি’র কাজের ধরন অনেক উন্নত। সচরাচর কাজের বাইরে এমন কাজগুলো করতে ভালো লাগে। কাজের মাধ্যমে দর্শকদের উপকারি বার্তা দেওয়াটাই আনন্দের।
দীর্ঘদিন ধরে বড়পর্দায় আপনার কোনো উপস্থিতি নেই, কেন?
আমি অভিনয় করি। বড়পর্দা বা ছোটপর্দা কোনো বিষয় না। একজন মানুষ তো ইন্ডাস্ট্রিতে সারাজীবন নিয়মিত থাকে না। আমি একেবারেই যে উপস্থিত না, তা কিন্তু নয়। মাঝে মাঝে গল্প পছন্দ হলে কাজ করি। এখন নতুনরা এসেছে তারা কাজ করছে। আমাদের জায়গাটায় এখন তারা নিয়মিত।
