নাইজারে কয়েক সপ্তাহের ভারী বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট বন্যায় ৪ জনের মৃত্যু ও ২০ হাজারের বেশি লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের অফিস অব দ্য কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স (ওসিএইচএ)।
এতে বলা হয়েছে, খারাপ আবহাওয়ায় ২ হাজার ১৭০টি বাড়িঘর ধ্বংস এবং প্রায় ৫৪৫ হেক্টর কৃষি জমি পানিতে ডুবে গেছে। নাইজারের জরুরি জননিরাপত্তা সংস্থার বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাটি আরো জানায়, প্রায় ৩ হাজার ১০০ আশ্রয়হীন লোক স্কুল অথবা নিরাপদ কোন বাড়িতে গিয়ে উঠেছে।
দেশটিতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নয়নের কোন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
নাইজার বেসিন অথোরিটি(এনবিএ) জানিয়েছে, রাজধানী নিয়ামেইতে কর্তৃপক্ষ বন্যার আশঙ্কায় নাইজার নদীর তীরবর্তী বসতির বাসিন্দাদের অন্যত্র চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। নদীটির পানির স্তর বেড়ে ৫৮০ সেন্টিমিটারে (১৯ফুট) দাঁড়িয়েছে। এটা ‘সতর্কতার’ অনেক বেশি। নাইজারের ৮টি অঞ্চলের মধ্যে শুধুমাত্র ডিফা বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়েনি। এই অঞ্চলটিতে ১ লাখ শরণার্থী রয়েছে। এরা প্রতিবেশী নাইজেরিয়া থেকে সহিংসতার ভয়ে পালিয়ে এসেছে।
উল্লেখ্য, নাইজারে প্রায়ই ভয়াবহ বন্যা অথবা খরা দেখা দেয়। জুলাই মাসের শেষদিক থেকে দেশটিতে অব্যহতভাবে বন্যা হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে।
