রাতে কেক কাটলেন খালেদা

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৫, ০২:৩২

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া শনিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে দলের গুলশান কার্যালয়ে ৭০তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন। এ জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানে ৭০ পাউন্ডের একটি কেকসহ বড় আকারের আরও কয়েকটি কেক নিজ হাতে কেটেছেন খালেদা। এ সময় দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা তার পাশে ছিলেন।

উল্লেখ্য, খালেদা জিয়ার জন্ম ১৯৪৬ সালে বলে তার নতুন করা পাসপোর্টে থাকলেও বিএনপি নেতা গয়েশ্বর রায় গতবছর এক অনুষ্ঠানে বলেন, বিএনপি প্রধানের জন্ম ১৯৪৫ সালে। খালেদা জিয়ার বাবা এস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফেনী হলেও তিনি দিনাজপুরে ঠিকানা নেন। খালেদা জিয়ার জন্মও সেখানে। তার মায়ের নাম তৈয়বা মজুমদার।
রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনার মধ্যে এবার জাতীয় শোক দিবসের প্রথম প্রহরে বিএনপি নেত্রীর জন্মদিনের কেক কাটা না হলেও রাতে ওই অনুষ্ঠান হবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন দলের নেতারা।
রাত ৯টায় খালেদা জিয়া বাসা থেকে গুলশানে নিজের কার্যালয়ে এলে দলের নেতা-কর্মীরা দুই পাশে দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাদের নেত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানায়।
 
এ সময় উপস্থিত নেতারা ‘শুভ শুভ জন্মদিন, ম্যাডামের জন্মদিন’, ‘হ্যাপি বার্থ ডে ম্যাডাম’- বলে দলের চেয়ারপারসনকে শুভেচ্ছা জানান। বাজানো হয় গীতিকার মুনশী ওয়াদুদের লেখা শিল্পী মনির খানের গাওয়া ‘দেশনেত্রীর জন্মদিন, আজ তোমার জন্মদিন’ গানটি।
কেক কাটার এই অনুষ্ঠানে দলের জ্যেষ্ঠ নেতা জমিরউদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, আবদুল্লাহ আল নোমান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, শাহজাহান ওমর, আবদুল মান্নান, শামসুজ্জামান দুদু, আবদুল হালিম, সাবিহউদ্দিন আহমেদ, রুহুল আলম চৌধুরী, এজেডএম জাহিদ হোসেন, মোহাম্মদ শাহজাহান, ফজলুল হক মিলন, গোলাম আকবর খন্দকার, আসাদুজ্জামান রিপন, সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মধ্যে ছিলেন সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, আনোয়ার হোসাইন, নুরুল ইসলাম খান নাসিম, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মুনির হোসেন, নুরী আরা সাফা প্রমুখ।
কেক কাটার পর খালেদা জিয়ার নির্দেশে কেকগুলো এতিমখানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয় বলে দলীয় কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে।