ফেনীতে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২৬ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
রবিবার দুপুরে ফেনীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এসব নেতা-কর্মীদের হাজির করা হলে আদালতের বিচারক রাজেশ চৌধুরী তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এবং মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ১৩ সেপ্টেম্বর ধার্য করেন।
এরা হলেন, ফুলগাজী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সালেহ্ আহমেদ মিন্টু (৩৫), ফুলগাজী সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জামাল উদ্দিন (৪২), ফুলগাজী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল করিম পাটোয়ারী ওরফে রাজীব (৩০), দরবারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম ওরফে বেছু (২৮), ফেনী পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক ওরফে শুভ (২১) অন্য ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্মীরা হচ্ছে : শফিকুল ইসলাম ওরফে রিপন (২৬), মোঃ সাহাদাত হোসেন (২৪), আশ্রাফুল ইসলাম ওরফে মাছুম (২৩), ওমর ফারুক (২৪), রবিউল ইসলাম ওরফে মানিক (২৫), সাহাদাত হোসেন (২৭), আবু তাহের (৩৫), একরামুল হক ওরফে সিফাত (২১), ইমরান হোসেন (২৬), আবদুর রহমান ওরফে রিন্টু (২৯), আরাফাত হোসেন ওরফে আসিফ (২৪), মোঃ নোমান (২২), মাহবুবুর রহমান জেমী (২৫), মোঃ হাসান (২২), রবিউল হক ওরফে লিটন (৩৮), আবু ইউছুপ ওরফে ডলার (২৫), মাঈন উদ্দিন (১৯), সরোয়ার হোসেন (২৯), মো. ফরিদ (৩০), ফারুক হোসেন (৩২) ও কফিল উদ্দিন ওরফে সোহেল (২৮)।
উল্লেখ্য, গত ৬ জুন সন্ধ্যায় জেলার সোনাগাজী উপজেলা থেকে আওয়ামী লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে ফেরার পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লালপুল এলাকায় র্যাব নেতা-কর্মী বহনকারী তিনটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালায়। এ সময় অস্ত্রসহ ২৬ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়।
পরের দিন ৭ জুন র্যাব বাদী হয়ে ১৯৭৮ সালের অস্ত্র আইনে ফেনী মডেল থানায় মামলা করে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিদের কাছ থেকে ৫টি বিদেশি পিস্তল, ৫টি শর্টগান, ১টি বিদেশি দোনালা বন্দুক, ৪টি এলজি, ১৬টি রামদা, ২টি চাইনিজ কুড়াল, ১টি চাপাতি, ১টি চাকু, ১৩টি পিস্তলের গুলি, ১২০টি এলজির গুলি উদ্ধার করা হয়।
