বাড্ডায় তিন খুন: গ্রেফতারকৃত দুইজনের সংশ্লিষ্টতা স্বীকার

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০১৫, ১৬:২৭
 
রাজধানীর বাড্ডায় গুলি করে তিন খুনের মামলায় গ্রেফতার হওয়া দুইজন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। সোমবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিএমপির যুগ্ম-কমিশনার (ডিবি) মনিরুল ইসলাম এই তথ্য জানান।
 
রবিবার রাজধানীর বাড্ডা ও ভাটারায় অভিযান চালিয়ে নূর মোহাম্মদ ও ফারুক ওরফে মিলনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে নূর ছাত্রলীগের কর্মী ও মিলন বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের থানা পর্যায়ের নেতা। তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের তিন খুনের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে।
 
ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার  জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার হওয়া নূর মোহাম্মদ ও ফারুক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার কথা স্বীকার করেছেন। হত্যার কারণ, পরিকল্পনা ও হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের বর্ণনা সম্পর্কেও তথ্য পাওয়া গেছে।
 
তিনি জানান, ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এই হত্যা সংঘঠিত হয়েছে  বলে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছেন। মূল পরিকল্পনাকারী ও পৃষ্ঠপোষকতাকারী ফারুক ওরফে মিলন। তিনি বাড্ডা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। আর নূর মোহাম্মদের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর থানায়।
 
মনিরুল ইসলামের ভাষ্য, ওই হত্যাকাণ্ডে আটজনের একটি দল জড়িত ছিল। সবার নাম-ঠিকানা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
 
গত বৃহস্পতিবার রাতে মধ্য বাড্ডার আদর্শনগরে একটি পানির পাম্পের সামনে আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাসহ চারজনকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। এদের মধ্যে ঢাকা উত্তরের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শামসু মোল্লা, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান ওরফে গামা এবং স্থানীয় একটি হাসপাতালের সাবেক কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ মারা যান।