বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবন দিয়ে বাঙালি জাতির অকৃত্রিম ভালোবাসার ঋণ শোধ করে গেছেন। দেশের মানুষের যে ভালোবাসা তিনি পেয়েছিলেন, তাঁর নির্দেশে জনগণ যেভাবে মৃত্যুকে তুচ্ছ করে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে, তা বিরল ঘটনা।’
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে (আইডিইবি) জাতীয় পার্টির (জেপি) উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিষ্টার রফিকুল হক, অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক আব্দুল মান্নান চৌধুরী, পার্টির মহাসচিব শেখ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক অবিসংবাদিত মহাপুরষ। জীবনের বহু বছর তিনি বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে শাসক শ্রেণির জুলুম-নির্যাতন সহ্য করে অন্ধকার কারা প্রকোষ্ঠে কাটিয়েছেন। ’৬৯ এর ২২ ফেব্রুয়ারি সেই মহান নেতা শেখ মুজিবকে দেশের জনগণ দুর্নিবার আন্দোলনের মাধ্যমে বুকের রক্ত ঢেলে আইয়ুব শাহীর কারাগার থেকে মুক্ত করে আনে ।’
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারীদের চক্রান্ত কিন্তু থেমে নেই। তাই দলের কলেবর বৃদ্ধির নামে অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’
রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে গড়ার জন্য সীমিত সম্পদ নিয়ে চেষ্টা করেছেন। তবু কোনো শর্তযুক্ত বিদেশি সাহায্য নেননি।’
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, ‘দেশকে মধ্যম আয় এবং পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি মোতাবেক উন্নত দেশে পরিণত করতে পারলে বঙ্গবন্ধুকে যথাযথ সন্মান প্রদর্শন করা সম্ভব হবে।’
ব্যারিষ্টার রফিকুল হক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন মহীরুহ। তিনি সমগ্র দেশ ও জাতির। ইতিহাসে তাঁর অবস্থান সবার ওপরে। তিনি বাঙালি জাতিকে আত্মপরিচয় এনে দিয়েছিলেন।’
খবর বাসসের।
