লালমনিরহাটে চার দিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে পাহাড়ি ঢল নেমে আসায় বন্যার পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে। বন্যায় ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও মাছ চাষের পুকুর তলিয়ে গেছে। মানুষ আশ্রয় নিয়েছে উচু সড়কে। পানির শ্রোতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের স্বর্ণামতি সেতুর বাইপাস সড়ক ও মূল সেতুর পাটাতন ভেঙ্গে যায়। এতে শুক্রবার বিকাল থেকে বুড়িমারীর সঙ্গে লালমনিরহাট ও ঢাকার যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদ সীমার কাছাকাছি রয়েছে। পানি নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে দেয়া হয়েছে। এদিকে ধরলা নদীর নুনখাওয়া ঘাট পয়েন্টে পানি বিপদ সীমার ১৪সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যায় হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলাসহ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে ২০হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
