জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক: এবিএম খায়রুল হক

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০১৫, ০১:০৩

সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক বলেছেন, জনগণই এই দেশের প্রকৃত মালিক। বাংলাদেশে মোট বিচারক আছেন সাড়ে ১১শ’ জনের মতো। তারা এ পেশায় অনেক যোগ্য। ২০ লাখ মামলার বোঝা নিয়ে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। আমেরিকায় প্রতি ২০ হাজার মানুষের জন্য একজন করে বিচারক আছেন। ভারতে ৬৭ হাজারে জনগণের জন্য একজন বিচারক। আর আমাদের দেশে প্রায় দেড় লাখ মানুষের  জন্য একজন।

 
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত রচিত ‘বঙ্গবন্ধু-সমতা-সাম্রাজ্যবাদ’ গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি। গ্রন্থটির প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘মুক্তবুদ্ধি’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার এম. আমীর-উল-ইসলাম, সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) কে এম শফিউল্লাহ বীর উত্তম, ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান এমিরিটাস অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহফুজা খানম।
 
এ বি এম খায়রুল হক বলেন, আর রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বাকি সকলেই জনগণের সেবক। একথা সংবিধানের ৭নং অনুচ্ছেদে স্পষ্ট করা হয়েছে। তারপরও আমরা এখনো জনগণের সেবক হতে পারিনি। তিনি আবুল বারকাত রচিত গ্রন্থটির প্রশংসা করে বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতীয় পরিচয় দেয়ার জন্য বড় অবদান রেখেছেন। ১৯৭৫ সালের ঘটনা না ঘটলে আমরা আরো অনেক এগিয়ে যেতাম। ব্যারিস্টার এম. আমীর-উল-ইসলাম বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সচেতন জনগোষ্ঠীও প্রয়োজন। ড. মিজানুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে থাকতে হলে বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে। সম্প্রতি বিরিয়ানির প্যাকেটে বঙ্গবন্ধুর ছবি দেয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমাদেরকে এই খাই খাই স্বভাব ছাড়তে হবে। শোকসভায় যারা বক্তব্য দিচ্ছেন তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু মানুষের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি।