দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনে যাচ্ছেন শিক্ষকরা

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০১৫, ০০:১২

অবিলম্বে দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল ঘোষণা এবং প্রস্তাবিত অষ্টম বেতন স্কেল পুনঃনির্ধারসহ ৪ দফা দাবি মেনে না নিলে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের দিকে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা একসাথে ক্লাস বিরতিসহ দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের কর্মসূচিতে যাচ্ছেন। একটি জাতীয় কনভেনশন আয়োজন করে স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো ঘোষণার জন্য রূপরেখা এবং ঐ কনভেনশন থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করবে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন।

 
গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের কনফারেন্স রুমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল ঘোষণার দাবিতে চলমান আন্দোলন ও পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির মহাসচিব অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল একথা কলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদসহ অন্য নেতারা।
 
ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবিতে আমরা গত ১৪ মে থেকে বিবৃতি প্রদান, মানববন্ধন, কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট করে আসছি। দাবির পক্ষে শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন শিক্ষামন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। কিন্তু এ ব্যাপারে কোন ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় আমরা নতুন কর্মসূচির দিকে যাচ্ছি।
 

তিনি বলেন, পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী রবিবারও ৩৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে একসাথে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করা হবে। তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি পরিষদের সঙ্গে ফেডারেশনের যৌথসভা করে আন্দোলন ও দাবি আদায়ে উপাচার্যদের পূর্ণাঙ্গ সমর্থন কামনা করা হবে। দাবি না মেনে নিলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রার মাধ্যমে তার সাথে দেখা করে সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের স্বাক্ষর সংবলিত দাবিনামা প্রধানমন্ত্রী বরাবর পেশ করা হবে। ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের নেতৃত্বে স্বতন্ত্র বেতন স্কেল ঘোষিত হবে এবং শিক্ষকদের অবমাননার অবসান হবে।