রংপুরে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার দুপুরে রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান এই আদেশ দেন। মামলার আসামি সুফিয়া বেগম পলাতক রয়েছেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের এপ্রিলে রংপুর নগরীর মাহিগঞ্জ জেবি সেন রোড এলাকার ধান-চাল ব্যবসায়ী আহসানুল হক বেলালকে দুধের সঙ্গে ঘুমের বড়ি মিশিয়ে খাওয়ান স্ত্রী সুফিয়া। পরে ঘুমন্ত স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ তিন টুকরা করে বস্তায় ভরে জলছত্র এলাকায় লাশটি ফেলে দেয়ার সময় স্থানীয়দের হাতে তিনি আটক হন। পরদিন রংপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ সুফিয়াকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।
ঐদিনই বেলালের ছোট ভাই আসাদুল হক বুলবুল বাদী হয়ে সুফিয়া বেগমের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনের বিরুদ্ধেহত্যা মামলা করেন। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে সুফিয়া বেগম ও ওষুধ বিক্রেতা হুমায়ুন কবীরের নামে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। সুফিয়া বেগম ওষুধ কেনার কথা স্বীকার করলেও বাদীপক্ষ তার প্রমাণে করতে না পারায় হুমায়ুন কবীরকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত।
এপিপি আব্দুস সাত্তার জানান, ২০১৩ সালের ২২ জানুয়ারি উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আসেন সুফিয়া। পরে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।
