চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে পিকাআপ-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শাহেদা আক্তার (১০) নামের এক শিশু নিহত হয়েছে। এই ঘটনায় আরও চারজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতরা বর্তমানে চমেক মেডিক্যাল ও রাউজানের পথেরহাটস্থ পাইওনিয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বুধবার বিকাল ৩টার দিকে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের রাউজান উপজেলার উত্তর দেওয়ানপুর বাসন্তী মন্দির গেইট সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহেদা আক্তার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পৌরসভার ১নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম নোয়াগাঁও গ্রামের দুল্লব বাড়ির নাছিম উদ্দিনের মেয়ে।
আহতরা হলেন, একই পরিবারের মৃত কামাল পাশার স্ত্রী আছিয়া বেগম (৬০), মেয়ে ফাতেমা আক্তার (৩০), ছেলে নাঈম উদ্দিন (৩৫) এবং অটোরিকশা চালক।
জানা যায়, নাঈম উদ্দিন রাউজান উপজেলার বাগোয়ানের মৌলানা হাছানের বাড়ির এক আত্মীয় বাড়ি থেকে রাঙ্গুনিয়ার নোয়াগাঁও গ্রামে যাওয়ার পথে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের উত্তর দেওয়ানপুর বাসন্তী মন্দির গেইট সংলগ্ন স্থানে পৌঁছলে পূর্বদিক হতে নগরমূখী দ্রুতগামী পিকআপের সঙ্গে মুখোমুখি সংর্ঘষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারায় কিশোরী শাহেদা আক্তার। আহতদের স্থানীয় জনতারা উদ্ধার করে পথেরহাটস্থ পাইওনিয়ার হাসপাতালে পাঠান। সেখানে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাদের চমেকে পাঠানো হয়।

চুয়েট ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই ইন্তাজ আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা পিকআপ ও অটোরিকশাটি উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আসি। নিহত শিশুর পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আহতরা বর্তমানে চমেকে চিকিৎসাধীন। এর আগে সকালে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের উপজেলার উরকিরচর মিয়ারঘাটা সংলগ্ন ডোবায় শিক্ষার্থীবাহী সাউথ মাদার্শা মডেল স্কুলের দ্রুতগামী একটি হাইচ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায়।’ স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে নেমে পড়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানান নোয়াপাড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শেখ জাবেদ মিয়া।
আরও পড়ুন: ‘দিনে কাজ করি, রাইতে পড়ি, পইড়া পুলিশ অইতে চাই'
এদিকে সংস্কারকৃত চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে বেপরোয়াভাবে দ্রুতগতি গাড়ি চলাচলের কারণে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানান ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয় সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা সেকান্দর বাদশা। তিনি আরো জানান, স্থানীয় দাবি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গতি নিয়ন্ত্রক বাধ তৈরি করা হউক। এতে করে দুর্ঘটনা রোধ হবে।
ইত্তেফাক/কেকে
