আখচাষীদের টাকায় নির্মিত

জয়পুরহাট আখচাষী কল্যাণ সমিতি ভবন ৬ মাস ধরে বন্ধ

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০১৫, ০০:১১

আখচাষীদের ঘামের টাকায় নির্মিত জয়পুরহাট চিনিকলের আখচাষী কল্যাণ সমিতির ভবনটি আখচাষীদের কোন কাজে আসছে না। আখচাষী কল্যাণ সমিতির কর্মকর্তাদের আভ্যন্তরীন কোন্দলের কারনে গত ৬ মাস ধরে এটি বন্ধ রয়েছে।

আখচাষী কল্যাণ সমিতি সূত্রে জানা যায়, জয়পুরহাট চিনিকলের অধীন দূরের ( বিশেষ করে মঙ্গলবাড়ী, ধামইরহাট, মহাদেবপুর, বদলগাছী এলাকার ) আখচাষীরা চিনিকলে এলে একটু বিশ্রামের জায়গা পেতেন না। আখ বিক্রির সময় শিক্ষা সেচের নামে কেটে রাখা টাকা ও টাকার রশিদের খুচরা পয়সা গুলো সমিতির আয়ের একমাত্র উৎস। এখান থেকে জমাকৃত প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০০২ সালে নির্মাণ করা হয় আখচাষী কল্যাণ সমিতির ওই ভবনটি। এখানে আখচাষীদের বাথরুম,  বিশ্রাম,  সাইকেল রাখার সুবিধা রাখা হয়। এর মধ্যে সমিতির হিসাব-নিকাশ নিয়ে শুরু হয় দ্বন্দ্ব। এক পর্যায়ে সাধারণ সম্পাদক খাজা নাজিম উদ্দীনকে অর্থ আত্মসাতের দায়ে সমিতি থেকে বহিষ্কার করা হয়। সহ-সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসাবে  দায়িত্ব দেয়া হয় গত মার্চ মাসে। এ থেকে শুরু হয় অচলাবস্থা।

একজন কর্মচারী থাকলেও অনিয়মের কারনে বাদ দেয়ার ফলে বন্ধ হয়ে যায় জয়পুরহাট আখচাষী কল্যাণ সমিতির ভবন। সমিতিতে নানা অনিয়ম হচ্ছে এমন অভিযোগে বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক খাজা নাজিম উদ্দীন গত ১৪ আগষ্ট জয়পুরহাট প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবিধান বহির্ভূতভাবে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে উল্লেখ করে বন্ধ আখচাষী কল্যাণ সমিতির তালা খুলে দেয়ার দাবী জানান তিনি সংবাদ সম্মেলনে। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ আখচাষী কল্যাণ সমিতির অফিস ভবনটি বন্ধ থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, অনিয়ম করায় কর্মচারীকে বাদ দেয়া হয়েছে ফলে অফিস খোলা রাখা সম্ভব হচ্ছেনা। আগামী ২/১ মাসের মধ্যে সমিতি’র নির্বাচন হবে এরপর নিয়মিত খোলার ব্যবস্থা করার কথা জানান হারুনুর রশীদ।