ফুলবাড়ী চুক্তি অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবি

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০১৫, ২২:১৫
 
অবিলম্বে ফুলবাড়ী চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত্ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। বুধবার রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুলবাড়ী দিবসের সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়।
 
সমাবেশে তল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত্ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহবায়ক প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ফুলবাড়ী চুক্তির এক নম্বর দাবি ছিল এশিয়া এনার্জিকে বিতাড়ন করা হবে এবং দেশের কোথাও উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করা হবে না। এই দফা বাস্তবায়ন করা হয়নি। বরং এশিয়া এনার্জি নাম পরিবর্তন করে অন্য নামে ফুলবাড়ীর খনির ইজারা দেখিয়ে লন্ডনের শেয়ার বাজারে ব্যবসা করছে।
 
সিপিবির নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ২০০৬ সালে ফুলবাড়ী আন্দোলনের পর ৪ সেপ্টেম্বর তত্কালীন বিরোধী দলের নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুরে সভা করেন। তখন তিনি ফুলবাড়ী চুক্তির প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়ে ক্ষমতায় গেলে চুক্তি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন। কিন্তু তিনি কথা রাখেননি।
 
বাসদ নেতা খালেকুজ্জামান বলেন, ফুলবাড়ী চুক্তি বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ এখনও দেখা যাচ্ছে না। চুক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিচারের মুখোমুখি দাড় করানো হয়নি। জাতীয় সম্পদ লুটপাটের জন্যই ঐ চুক্তি এখনও বাস্তবায়িত হচ্ছে না বলে তিনি অভিযোগ করেন।
 

সমাবেশে ফুলবাড়ী আন্দোলনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় কমিটির সংগঠক নূর মোহাম্মদ, প্রকৌশলী বিডি রহমত উল্লাহ, অধ্যাপক এম এম আকাশ, ড. শামসুল আলম, প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক, সাইফুল হক, বজলুর রশীদ ফিরোজ। জানান, নানা কৌশলে কয়েকটি শিল্প কারখানার মালিক বিদ্যুত্ চুরির ঘটনায় লিপ্ত। এসব ঘটনায় ডিপিডিসির কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার আলামত পাওয়া যাচ্ছে। বিদ্যুত্ চুরিতে জড়িতদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় এবং জেল জরিমানার পাশাপাশি নেপথ্যে জড়িতদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।