ঢাকা কেরানীগঞ্জে ভুয়া তিন ডিবি পুলিশকে আটক করে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করেছে এলাকাবাসী।
বুধবার রাতে উপজেলার কলাতিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে বলে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ডিউটি অফিসার এএসআই মো. আমিরুল ইসলাম জানান।
আটককৃতরা হলেন- কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার পুশকুনীরপাড় গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে মো. মূসা (৩২), নোয়াখালি জেলার বেগমগঞ্জ থানার আবদুল্লাহপুর গ্রামের নাদরের জামানের ছেলে খোরশেদ আলম (৩৮), সিরাজনগর জেলার শাহাদাৎপুর থানার পুতাজিয়া গ্রামের মোক্তার প্রামানিকের ছেলে মো. আনিছ ওরফে বিদ্যুৎ (৩১)। বর্তমানে মূসা রাজধানীর উত্তর বাড্ডার রফিকুল ইসলামের বাড়ির ভাড়াটিয়া ও খোরশেদ টঙ্গির চেরাগআলীর আলমদিনা অটোরিকশার দোকানে থাকতেন।
স্থানীয় ও বাদী মো. হারুন দেওয়ানের বরাত দিয়ে এএসআই বলেন, হারুন বুধবার সন্ধ্যার পর রাজধানী ঢাকার কলতাবাজার থেকে ছয় লাখ টাকা নিয়ে সিএনজি যোগে খারাকান্দি তার নিজবাড়ি ফেরার পথে নয়াপাড়া মসজিদ সংলগ্ন আঞ্চলিক সড়কে সংঘবদ্ধ ৫/৬ জনের দু’টি দল একটি প্রাইভেটকার ও একটি নোয়াগাড়ি নিয়ে পথরোধ করে। পরে সিএনজি থেকে নামিয়ে ডিবি পরিচয়ে জোর করে চোখ বেঁধে নোয়াগাড়িতে উঠিয়ে জয়ুনপুর নিয়ে যায়। জয়ুনপুর গিয়ে তার সঙ্গে থাকা ছয় লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে প্রাইভেটকারে থাকা অপর তিনজন লোক তাদের বিপরীত দিকে চলে যায়।
পরে নোয়াগাড়ি করে মূসা, আনিছ ও চালক খোরশেদ হারুনকে নিয়ে যখন খারাকান্দি রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে চলে যাচ্ছিল তখন তার চিৎকার এলাকাবাসী তাদের পিছু নেয়। কলাতিয়া এলাকার ভাঙ্গা রাস্তায় গিয়ে জামে আটকা পড়লে তাদের তিনজনকেই ধরে পিটুনি দিয়ে রাতেই পুলিশে সোর্পদ করে করা হয়।
খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। টাকা উদ্ধারের জন্য আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তবে ঢাকা মেট্রো চ-১৩-৫৬৬৩ নম্বর প্লেটের নোয়াগাড়িটি জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে বলে জানান ওই এএসআই।
এঘটনায় বুধবার রাত ১টার দিকে হারুন দেওয়ান নিজেই বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
