শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, দেশ যতো অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ততো বাড়বে। কারণ পচাত্তরের ১৫ আগস্টের ষড়যন্ত্র এবং ২১ আগস্টে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলার উদ্দেশ্য একই, দেশে পাকিস্তানী বিজাতীয় ভাবধারা চালু করা। বৃহস্পতিবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিয় মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের নীল দল আয়োজিত ‘মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
শিল্প মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের এই সদস্য অভিযোগ করেন, ‘৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে জিয়াউর রহমান যে ষড়যন্ত্র শুরু করেছিলেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখনও সেই ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাও সেই একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় সংঘটিত।’
তিনি বলেন, প্রথমে ৭৫ এর বিয়োগান্তক অধ্যায়কে একটি ব্যক্তির হত্যাকান্ড হিসেবে চালিয়ে দেয়ার অপকৌশল নেয়া হলেও প্রকৃত অর্থে এটি ছিল দেশকে নব্য পাকিস্তান বানানোর সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
নীল দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ কে এম মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন-বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, ট্রেজারার অধ্যাপক মো. সেলিম ভূঁইয়া, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ড. মো. মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, জাতীয় শোক দিবস উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুদ্দিন প্রমুখ।
আমির হোসেন আমু স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাবমূর্তি ও তার সরকারের অর্জন যাতে কোনোভাবেই ক্ষুণ্ণ না হয়, সে বিষয়ে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সজাগ থাকতে হবে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উন্নয়ন আদর্শের ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ইতোমধ্যে নিন্মমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করেছেন। সমুদ্র সম্পদ ব্যবহার করে ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম ধনী দেশে পরিণত হবে বলেও মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন ।
