২০১২ সালের নভেম্বর। মালয়েশিয়ার সাথে প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। কুয়ালালামপুরে শাহআলম স্টেডিয়ামে হওয়া ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। বাংলাদেশ পিছিয়ে ছিল ম্যাচে। দ্বিতীয়ার্ধে বদলী খেলতে নেমে স্ট্রাইকার মিঠুন চৌধুরী পেনাল্টি আদায় করে, স্ট্রাইকার এমিলি পেনাল্টি থেকে গোল করেন। সেই একই মাঠে ২৬ মাস আট দিন পর আবার বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আজ। শাহআলম স্টেডিয়ামে খেলা শুরু হবে বাংলাদেশ সময় শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায়। অতীতের স্মৃতি ভুলে যেতে চান বাংলাদেশের ফুটবলাররা। দুই বছর আগের সময় আর এখনকার সময়ের মধ্যে পার্থক্য দেখতে পারেন ফুটবলাররা। সময় বদলেছে।
বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সও বদলেছে বিশ্বাস করছেন মামুনুলরা। ঘন ঘন আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেললে নিজেদের অবস্থানটাও জানা যায়। প্রীতি ম্যাচ বা অনুশীলন ম্যাচ, যেটাই বলা হোক না কেন। মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইটা হচ্ছে একটা পরীক্ষা। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে নিজেদের একটা পরীক্ষা। বাংলাদেশ দলের ডাচ কোচ লুডভিক ডি ক্রুইফও এমনটাই বলেছিলেন আমাদের খেলোয়াড়দের অবস্থানটা কোথায়, সেটাও দেখা যাবে। একই সাথে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে করণীয়টা কি হবে সেটাও চূড়ান্ত হবে। মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে খেলা হলেও ক্রুইফের ম্যাচ পরিকল্পনায় জায়গা পাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। কারণ আসল লড়াইটা হবে সেখানেই। অজিদের বিরুদ্ধে মামুনুল, সোহেল রানা, নাসিরুল, ইয়ামিন, ইয়াসিন, গোলকিপার সোহেল, জামাল ভুঁইয়াদের জায়গাগুলো কতোটা মজবুত এবং সুসংহত তা নিয়েই ভাবনা। এমিলি, জাহিদ, জুয়েল রানা, সোহেল রানা, এনামুলদের নিয়ে আক্রমণভাগ নিয়ে। জার্মান গোলকিপিং কোচ ক্রিশ্চিয়ান শোয়েশ্চালার কাজ করছেন গোলপোস্ট নিয়ে।
