ড্যান্ডি ডায়িংয়ের ৪৫ কোটি টাকা ঋণখেলাপি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী ও দুই মেয়ের সমনের জবাব দাখিলের জন্য ১০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছে আদালত।
রবিবার এই মামলায় বিবাদী কোকোর স্ত্রী ও দুই মেয়ের সমনের জবাব দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তাদের পক্ষে জবাব দাখিল না করে সময় আবেদন জানান আইনজীবীরা। শুনানি শেষে ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস সময় আবেদন মঞ্জুর করে এই দিন ধার্য করেন।
এর আগে ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই খালেদা জিয়ার পক্ষে সমনের জবাব দাখিল করেন আইনজীবী মাসুদ আহম্মদ তালুকদার ও জয়নাল আবেদীন মেজবাহ।
জবাবে বলা হয়, সোনালী ব্যাংক থেকে কোম্পানি ১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ঋণ নেয়। পরে ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ করে। অথচ সোনালী ব্যাংক নিয়ম বহির্ভূত ও বেআইনিভাবে ৪৫ কোটি টাকা ঋণখেলাপের মামলাটি করেছে। যা অর্থঋণ আইনে বৈধ নয়।
এদিকে আরাফাত রহমান কোকো নামমাত্র কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন। তিনি লেনদেনের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত ছিলেন না। তাই মামলাটি খারিজের আবেদন করেন খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার পক্ষে হলফনামা দেন মাহবুব আল আমিন।
২০১৫ সালের ১৬ মার্চ বেগম খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে সমন জারি করে আদালত। সমন জারির পর তার জবাব দিতে বলা হয় খালেদা জিয়াকে।
এ মামলার এক বিবাদী আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ায় ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক অংশীদারিত্ব মামলায় তার মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী শার্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে বিবাদী করার জন্য ২০১৫ সালের ৮ মার্চ আদালতে আবেদন করে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসানা আরা হ্যাপী এ মামলায় তাদের বিবাদী করেন।
