‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সঙ্গে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের পুনর্বাসিত করেছিলেন তিনি। শুধু তাই নয় ওই খুনিদের রক্ষার জন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিলেন। খুনিদের বিদেশি দূতাবাসে চাকরি দিয়েছিলেন।’
সোমবার বিকালে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গাজীপুর জেলা ইউনিট কমান্ডের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ৪০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আকম মোজাম্মেল হক এমপি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমান জড়িত ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থার লোক ভাড়া করে সজিব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণের পর হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এ অভিযোগে বিএনপির সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাসের এক নেতা গ্রেফতার হয়েছেন।’
মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ইউনিট কমান্ডার ও সাবেক এমপি কাজী মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এসএম আলম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ পিপিএম, ডেপুটি ইউনিট কমান্ডার মো. মহর আলী, এসএম মজিবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার মিয়া, কাজী আলিম উদ্দিন বুদ্দিন, মো. ইমান উদ্দিন, আবু হানিফ, আক্তারুজ্জামান শুকুর, মো. মোশারফ হোসেন দুলাল, মো. আরিফ হোসেন খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
