লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানা সন্ত্রাস নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক ও চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. ওমর ফারুককে (৩৬) সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি গুলি করে হত্যা করেছে।
মঙ্গলবার সকাল ৯টায় চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম লতিফপুর গ্রামে মোস্তফার চা দোকানে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. ওমর ফারুক পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে ও চন্দ্রগঞ্জ থানা সন্ত্রাস নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক ও চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম লতিফপুর গ্রামে মোস্তফার চা দোকানে বসে মো. ওমর ফারুক চা খাচ্ছিলেন, এমন সময় ৫/৬ জন সন্ত্রাসী ঘিরে ফেলে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।
সোমবার চন্দ্রগঞ্জ থানা ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সন্ত্রাস বিরোধী বক্তব্য দেয়ার কারণে সন্ত্রাসীরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন।
লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন বলেন, আমাদের ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মো. ওমর ফারুক সন্ত্রাস বিরোধী কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার কারণে সন্ত্রাসীরা তাকে নির্মম ভাবে হত্যা করে। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করে সন্ত্রাসীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, মো. ওমর ফারুকের হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। শিগগির তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
