জামালপুর জেলার বন্যা পরিস্থিতির আবারও অবনতি হয়েছে। যমুনা নদীর বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে গত ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত পানি বিপদ সীমার ৩৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বন্যায় মেলান্দহ-মাহমুদপুর, উলিয়া-ইসলামপুর ও গুঠাইল-মলমগঞ্জ পাকাসড়কসহ তলিয়ে গিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
গত কয়দিনের অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জামালপুরে যমুনা, ব্রক্ষপুত্র ও জিঞ্জিরাম নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে জেলায় ৩য় দফা বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে ৭টি উপজেলার প্রায় ৩৬টি ইউনিয়ন বন্যা কবলিত হয়ে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। এদিকে ৬০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্লাবিত হওয়ায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জীবন আরা জানিয়েছেন।IMG0
গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীতে ২০ সেন্টিমিটার ও ব্রহ্মপুত্র নদে ৫ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার দেওয়ানগঞ্জ, ইসলামপুর, সরিষাবাড়ী, মাদারগঞ্জ ও বকসিগঞ্জ উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এছাড়া জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে রোপা আমন ফসল, শাক-সবজির ক্ষেত পানিতে তলিয়ে বিনষ্ট হচ্ছে। জেলার বন্যা কবলিত এলাকায় রান্না করা খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট চলছে।
জামালপুর জেলা প্রশাসক সাহাবুদ্দিন খান জানান, চলমান বন্যা পরিস্থিতির ব্যাপারে প্রতি মূহুর্তেই খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। তবে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে বন্যার্তদের সাহায্যে প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দ দেয়া হবে।
