বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক পরিবেশমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় এবং এর হ্রাসকল্পে সুশীল সমাজ ও রাজনীতিবিদদের একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি মনে করেন, জাতিসংঘের আসন্ন জলবায়ু সম্মেলনের পূর্বেই স্বল্পোন্নত এবং দক্ষিণ এশিয় দেশগুলোর উচিত হবে অতীতের চেয়ে আরও জোরালোভাবে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সৃষ্ট সমস্যাগুলো নিয়ে উন্নতদেশগুলো এবং জাতিসংঘসহ অন্যান্য উন্নয়ন সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করা।
শুক্রবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে তিনদিনব্যাপী জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় ড.হাছান মাহমুদ এ কথা বলেন। দক্ষিণ এশিয় বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্ট মেম্বার, সুশীল সমাজ এবং জলবায়ু সম্পর্কিত বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিগণ এতে উপস্থিত ছিলেন।
বিয়ন্ড কোপেনহেগেন কালেকটিভ এবং পাবলিক এডভোকেসি ইনিশিয়েটিভ ফর রাইটস অ্যান্ড ভ্যালুস নামক দুটো সংস্থার আয়োজনে এ সম্মেলন চলবে আগামী ৬ তারিখ পর্যন্ত।
ড.হাছান মাহমুদ তার বক্তব্যে জানান, দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলো পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রেখে প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগাতে পারে। তিনি বলেন, পরমত সহিষ্ণুতা থাকলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়েও এক দেশ হতে অপর দেশে বিদ্যুৎ-জ্বালানি রপ্তানি সম্ভব। এ ক্ষেত্রে ভুটান প্রকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে বলে জানান তিনি।
তিনি জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশসহ অনুন্নত দেশসমূহ কি কি ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে তাও তুলে ধরেন তার বক্তব্যে।
