ব্যাংকের আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান বা স্প্রেড ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের নিচে থাকলেও ২১টি ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মানেনি। তাদের স্প্রেড এখনও ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের বেশি রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী—জুলাই মাসে ঋণের ক্ষেত্রে সুদহার কমে দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৫৭ শতাংশে। আগের মাসে ছিল ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। সুদহারের নিম্নমুখী প্রবনতার কারণে ব্যাংকের আমানত ও ঋণের সুদের ব্যবধান কমেছে। জুলাই মাস শেষে ঋণ ও আমানতের গড় সুদহার ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশীয় পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। যা আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৮৭ শতাংশীয় পয়েন্টে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়—গত মার্চে আমানত ও ঋণের সুদ হারের ব্যবধান রেকর্ড পরিমাণ কমে ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের নিচে নেমে এসে দাঁড়ায় ৪ দশমিক ৮৭ পয়েন্টে।
গত জুলাই মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ঋণের ক্ষেত্রে ১০ দশমিক ৩১ শতাংশ হারে সুদ আদায় করেছে। আমানতের বিপরীতে দিয়েছে ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ সুদ। স্প্রেড দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৬৪ শতাংশীয় পয়েন্ট। বিশেষায়িত ব্যাংকের স্প্রেড সবচেয়ে কম মাত্র ১ দশমিক ৮৫ শতাংশীয় পয়েন্ট। আমানতের বিপরীতে এসব ব্যাংক দিয়েছে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ সুদ। আর ঋণের ক্ষেত্রে গড় সুদহার ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ দাঁড়িয়েছে।
তবে বিদেশি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলো স্প্রেড এখনো ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের উপরে রয়েছে। বিদেশি ব্যাংকগুলো আমানতের বিপরীতে ৩ দশমিক ০২ শতাংশ সুদ দিয়ে ঋণের বিপরীত আদায় করছে ১০ দশমিক ৭৯ শতাংশ সুদ। অর্থাত্ এ খাতের ব্যাংকগুলোর স্প্রেড সবচেয়ে বেশি ৭ দশমিক ৭৭ শতাংশীয় পয়েন্ট।
আর বেসরকারি ব্যাংকগুলোর গত স্প্রেড ৫ শতাংশীয় পয়েন্টের বেশি ৫ দশমিক ০১ শতাংশ রয়েছে। এসব ব্যাংক আমানতের বিপরীতের সুদ দিয়েছে ৭ দশমিক ০৫ শতাংশ আর ঋণে সুদ আদায় করেছে ১২ দশমিক ০৬ শতাংশ।
