শুনানির কার্যতালিকায় রয়েছে নিজামীর আপিল মামলা

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ১৩:৪৬
জামায়াতে ইসলামীর আমীর মতিউর রহমান নিজামীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিষয়ে আনা আপিল মামলা শুনানির জন্য মঙ্গলবার আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় রাখা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চে এ আপিল মামলাটি সুপ্রিমকোর্টের কার্যতালিকার ৭ নম্বর আইটেম। বেঞ্চের অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন- বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
-বাসস
 
নিজামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলার দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ২৩ নভেম্বর আপিল দায়ের করা হয়। ৬ হাজার ২৫২ পৃষ্ঠার ডকুমেন্ট পেশ করে তাতে ১৬৮টি কারণ উল্লেখ করে দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদীন তুহিন আপিলটি দাখিল করেন।
 
নিজামীর পক্ষে আইনজীবী তাজুল ইসলাম জানান, ১২১ পৃষ্ঠায় মূল আপিল আবেদনের সঙ্গে ৬ হাজার ২৫২ পৃষ্ঠার নথিপত্র দাখিল করা হয়েছে। মূল আপিলে ১৬৮ টি গ্রাউন্ড পেশ করে দণ্ড থেকে খালাস চাওয়া হয়েছে।
 
এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, 'ট্রাইব্যুনাল নিজামীর সর্বোচ্চ সাজার যে রায় দিয়েছে, তাতে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। আসামির আপিলের বিপরীতে শুনানিতে অংশ নেবে রাষ্ট্রপক্ষ। ট্রাইব্যুনালে দেয়া দণ্ডের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করে তা বহাল রাখতে আর্জি পেশ করা হবে।
নিজামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলার ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর রায় ঘোষণা করে ট্রাইব্যুনাল। 
 
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালনাল-১এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল জনাকীর্ণ ট্রাইব্যুনালে এ রায় ঘোষণা করে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হক।
 
২০১০ সালের ২৯ জুন এক মামলায় মতিউর রহমান নিজামীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে একই বছরের ২ আগস্ট এক আবেদনের প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনালের আদেশে তাকে মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায গ্রেফতার দেখানো হয়। সে থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।