খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড (কেপিপিএল) ও প্রতিষ্ঠানটির মালিক এস এম আমজাদ হোসেনের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সেই সঙ্গে আমজাদ হোসেনের স্ত্রী সুফিয়া আমজাদ এবং কেপিপিএলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মেট্রো ব্রিকসের ব্যাংক হিসাবের তথ্যও চাওয়া হয়েছে।
সমপ্রতি বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠিয়ে এ সব তথ্য জানাতে বলেছে এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)।
উল্লিখিত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবে (মেয়াদি আমানত, মেয়াদি সঞ্চয়, চলতি ঋণ ও ফরেন কারেন্সি হিসাব; ক্রেডিট কার্ড, সঞ্চয়পত্র বা অন্য যে কোনো ধরনের সঞ্চয়পত্র) ২০০৮ সালের জুলাই থেকে যেসব লেনদেন হয়েছে, তার সব তথ্য জানাতে বলেছে সিআইসি।
এস এম আমজাদ হোসেন সর্বশেষ রাজনৈতিক বিবেচনায় অনুমোদন পাওয়া নয়টি ব্যাংকের মধ্যে সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। তার স্ত্রী ওই ব্যাংকের পরিচালকদের একজন।
সাধারণত কর ফাঁকির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে সিআইসি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পদের হিসাব বা ব্যাংক লেনদেনে তথ্য নিয়ে থাকে। তবে কেপিপিএলের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ এসেছে কি না, সে বিষয়ে এনবিআর কর্মকর্তারা কোনো তথ্য জানাতে রাজি হননি।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কেপিপিএল গতবছর চার কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। ওই সময়ই কেপিপিএলসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মুনাফা ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানোর অভিযোগ ওঠে।
এনবিআরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কেপিপিএলসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম নিয়ে সমপ্রতি খোঁজ শুরু করেছে এনবিআর। সমপ্রতি শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান এ বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘খুলনায় শুল্ক গোয়েন্দারা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালাচ্ছে।’
