রেক্সনা হত্যা: মামলা ৫ মাস অতিবাহিত হলেও অগ্রগতি নেই

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ১২:৫৬
বাগেরহাটের ফকিরহাট বালিয়াডাঙ্গা এলাকায় যৌতুকের দাবিতে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ রেক্সনা হত্যা মামলার ৫ মাস অতিবাহিত হলেও অভিযুক্তরা রয়েছে ধরাছোয়ার বাইরে। পুলিশের উদাসিনতাকে দায়ী করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সচেতন মহল।
  
জানা গেছে, গত ৫ মাস আগে নিখোঁজের দু’দিন পর ২ সন্তানের জননি রেক্সনা বেগমের (৩০) লাশ তার শ্বশুর বাড়ির পুকুর থেকে ১৫/১৬টি ইট বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নিহতের শ্বাশুড়ি ফরিদা বেগমকে (৬০) আটক করলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই শেখ মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ফকিরহাট মডেল থানায় এ বছরের ৩ এপ্রিল একটি মামলা দায়ের করেন।
 
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, এই ঘটনার কয়েকদিন আগে রেক্সনাকে তার স্বামী আরিফ মল্লিকসহ পরিবারের লোকজন মোটা অংকের যৌতুকের টাকার জন্য মারপিট করেন। কয়েকদিন পর রেক্সনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তার শ্বশুর বাড়ির পক্ষ থেকে তাদের জানান হয়। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ-খবরের দু’দিন পর স্থানীয়দের মুখে খবর পেয়ে তার শ্বশুর বাড়ির পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 
 
যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর মৃতদেহে ইট বেঁধে পুকুরের পানির নিচে ফেলে দিয়ে আত্মগোপন করেছে যৌতুকলোভী ঘাতকরা। গত ৫ মাস অতিবাহিত হলেও অজ্ঞাত কারণে তার স্বামীসহ অন্য অভিযুক্তদের আটক করতে পারেনি পুলিশ। 
 
এদিকে নিহতের অবুঝ ২ শিশু কন্যা শোভা ও ইভা, মাকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে। 
 
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাইদার আলী বলেন, আমি কিছুদিন আগে এ মামলার দায়িত্ব পেয়েছি।  অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা চলছে, শিগগিরই তাদের গ্রেফতার করা হবে।