বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, অর্থমন্ত্রী না বুঝে, না শুনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আন্দোলনের ব্যাপারে কথা বলছেন। এতে পুরো জাতি বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েছে। তার মতো দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছ থেকে জাতি এ ধরনের ভুল তথ্য কামনা করে না। তাই অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামো পুনঃর্নিধারণ এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেলসহ ৪ দফা দাবিতে অর্থমন্ত্রী কোন আশ্বাস দিলেও আন্দোলন স্থগিত করবেন না শিক্ষকরা। শিক্ষকরা এখন একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর দিকে থাকিয়ে আছেন। প্রধানমন্ত্রী যদি আমাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দেন তাহলে আমরা ঘরে ফিরে যাব। দাবি আদায় না হলে ঈদের পর কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে শিক্ষকরা।
লিখিত বক্তব্যে ফেডারেশনের মহাসচিব অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, গতকাল দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি চলছে। আমরা জেনেছি বেতন বৈষম্য বিষয়ক একটি কমিটি হয়েছে, এর প্রধান হিসেবে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী; কিন্তু তার নেতৃত্বাধীন কোনো কমিটি শিক্ষকদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ কমিশন গঠনের দাবি জানাচ্ছি।
