বৈশাখী টিভিতে নতুন বছর থেকে শুরু হয়েছে শোবিজ মিডিয়ার তারকাদের জীবনীভিত্তিক অনুষ্ঠান ‘প্রিয়মুখ’। ৯ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় প্রচার হবে এ অনুষ্ঠানের ১০ম পর্ব। এ অনুষ্ঠানের জন্য মুখোমুখি কথা বলেছেন জনপ্রিয় রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী অণিমা রায়। বললেন অজানা অনেক কথা। শহিদুল ইসলাম সজীবের প্রযোজনায় অনুষ্ঠানটি গ্রন্থনা ও সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছেন দুলাল খান।
দেশের জনপ্রিয় সব রবীন্দ্র সংগীত শিল্পীর মধ্যে অন্যতম অণিমা রায়। সংগীতের সব শাখাতেই রয়েছে তার অবাধ পদচারণ। অণিমা রায়ের উল্লেখযোগ্য অ্যালবামের মধ্যে কোথা যাও, আমি চিত্রাঙ্গদা, ইচ্ছামতি, রবির আলো, তোমার বিরহে, প্রাণের মাঝে আয়, মাতৃভূমি, তিন কবির গান বিবর্তন এবং কলকাতার রত্ম মিত্রের সঙ্গে গান ও আবৃত্তির অ্যালবাম প্রতীক্ষা। কলকাতায় রি-ইউনিয়ন নামে একটি চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকও করেছেন অণিমা। এ গানটির জন্য সেখানে দারুণ প্রশংসিত হন তিনি।

অণিমা রায়। ছবি: সংগৃহীত
অণিমা রায়ের আজকের এই অবস্থানের পেছনে যার ভূমিকা তিনি হলেন তার কাকা বিমল রায়। ছোটবেলায় এই কাকার উৎসাহেই সংগীতের পথে হাঁটতে শুরু করেন তিনি। হাতেখড়ি ওস্তাদ দেবাশীষ শর্মার কাছে। এরপর যার কাছে তালিম নেন তিনি হলেন শাস্ত্রীয় সংগীতের ওস্তাদ সাধনচন্দ্র বর্মণ। রবীন্দ্র সংগীতের প্রতি তখন ছিল অণিমা রায়ের দারুণ দুর্বলতা। যে কারণে গুরু সাধনচন্দ্র বর্মণ তাকে পরিচয় করিয়ে দেন রবীন্দ্র সংগীতের প্রতিযশী শিল্পী মিতা হকের সঙ্গে। তার কাছেই চলে অণিমার কঠোর সাধনা।
একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগে অনার্সে ভর্তি হন। এখানেই অনার্সসহ মাস্টার করেছেন তিনি। শিক্ষক হিসেবে পান রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, নিলুফার ইয়াসমিন এবং মৃদুল কান্তি চক্রবর্তীকে। অণিমা রায় এমফিল করেছেন রবীন্দ্র গীতিনাট্য,নৃত্যনাট্য ও নাটকের গান নিয়ে। পঞ্চগীতি কবির গানে স্বদেশ চেতনা বিষয়ে পিএইচডি করছেন বিশ্বজিৎ ঘোষ ও লীনা তাপসী খানের অধীনে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
