যুদ্ধবিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্যের জন্য আরাফাত ময়দানে প্রার্থনা

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ১২:১৬

আরাফাত ময়দানে লাখো মানুষের সমাগমে গতকাল বুধবার যুদ্ধে বিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের শান্তির  জন্য দোয়া করেছেন। আজ ঈদুল আযহা ও কোরবানির মধ্যে দিয়ে শেষ হবে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা।


মুসলিমদের অবশ্য পালনীয় কর্তব্যগুলোর একটি হজ। সামর্থ্যবান সব মুসলিমকে জীবনে কমপক্ষে একবার হজ করা বাধ্যতামূলক। বিশ্বের সকল প্রান্ত থেকে লাখো মুসলিমের সমাগমে আরাফাত ময়দানে সবাই দু হাত তুলে যুদ্ধ বিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্য ও সংকটাপন্ন মুসলিম ভ্রাতাদের কল্যাণে দোয়া করেছেন। মোহাম্মদ রিজক নামের একজন মিশরীয় বলেন, আমাদের আরব দেশগুলো আর কী বাকি আছে? সিরিয়াকে দেখুন, এখানে আসা হজযাত্রীদের থেকে তাদের শরণার্থীর সংখ্যা বেশি। বিভিন্ন দেশ ও জাতির মানুষ হজ করতে গেছেন সৌদি আরবে। আবদুল্লাহ নামের একজন ধর্মান্তরিত চীনা মুসলিম এখানে আসতে পারার আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, আমি আশা করি সব মুসলিমরা এখানে একবার হলেও আসুক। আমি নিশ্চিত তারা যাবার সময়ে একটা উত্তম মনোভাব নিয়ে ফিরে যাবে কারণ ইসলামের জন্ম হয়েছিল এখানে।  


২০১১ আরব বসন্তের পর থেকে সিরিয়া ও ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। লিবিয়া সংঘর্ষ ও শরণার্থী সংকট নিয়ে ধুকছে। একই অবস্থা জর্ডান, লেবানন ও তুরস্কের। মিশরের রাজনীতি ভঙ্গুর এবং ফিলিস্তিনিদের এখনো কোনো রাষ্ট্র নেই। এছাড়া জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটস এরও সমালোচনা করেন হজ করতে আসা মানুষরা। ইরাক থেকে আসা এক ব্যক্তির কাছ থেকে তাদের নৃশংসতার কথা শুনে এক ব্যক্তি বলেন, ইসলাম হচ্ছে ক্ষমার ধর্ম। কিভাবে তার এই নামটিকে একটি অভিশাপে পরিণত করেছে? ইয়েমেন থেকে আসা একজন হজযাত্রী বলেন, আমার এক লক্ষ ইচ্ছা আছে তবে আমি সবার আগে প্রার্থনা করি একটা শান্তি পূর্ণ ইয়েমেনের। সিরিয়া থেকে আসা একজর প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে সব সমস্যার জন্য দায়ী করে বলেন, বাশার তুমি জাহান্নামে যাও। আল আরাবিয়া