গণমাধ্যমের প্রকৃত স্বাধীনতার মাধ্যমেই জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার সপ্তাহ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশজুড়ে ‘তথ্য জানার অধিকার সপ্তাহ’ পালনের মাধ্যমে তথ্য অধিকার সম্পর্কে জনগণের সচেতনতা এবং প্রয়োগ আরো বৃদ্ধি পাবে।
শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে সুশাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে তথ্য অধিকারের গুরুত্ব অপরিসীম। জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।
তিনি বলেন, "জনগণের এ অধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য আমরা নবম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ‘তথ্য অধিকার আইন ২০০৯’ পাস করি। এ আইনের অধীনে গঠিত হয় তথ্য কমিশন। এর মাধ্যমে জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।"
শেখ হাসিনা বলেন, "বর্তমান সরকার দেশের সকল ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ, দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের প্রায় ২৫ হাজার ওয়েবসাইট নিয়ে ‘জাতীয় তথ্য বাতায়ন’ চালু করেছে। তথ্য বাতায়নে সামগ্রিক রাষ্ট্রীয় কর্মকান্ডের তথ্য তুলে ধরা হচ্ছে। আমাদের প্রত্যাশিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়ন অনেক দূর এগিয়ে গেছে।"
দেশে গণমাধ্যমের বিকাশ ও অগ্রযাত্রায় আওয়ামী লীগ সরকার সব সময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, তথ্যের অবাধ প্রবাহকে আরো বিস্তৃত করতে সরকার বাংলাদেশ টেলিভিশন, বিটিভি ওয়ার্ল্ড এবং সংসদ টেলিভিশনের পাশাপাশি ৪১টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সম্প্রচারের অনুমতি দিয়েছে। এর ফলে তথ্য প্রকাশ ও প্রচারের ব্যবস্থা সহজতর হয়েছে। এ ছাড়া বেসরকারি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২৮টি এফএম বেতার কেন্দ্র এবং ৩২টি কমিউনিটি রেডিও সম্প্রচারের অনুমতি দেয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। বাসস।
