সিরিয়ার যুদ্ধক্ষেত্র থেকে নতুন প্রশিক্ষণার্থীদের সংগ্রহ করে দেশটির বাইরে প্রশিক্ষণ দেয়া বন্ধ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপন্থী বিদ্রোহী বাহিনী গড়ে তোলার এই সামরিক প্রকল্পটি পর্যালোচনার জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে বলে পেন্টাগনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন। খবর সিনহুয়া ও রয়টার্সের।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার পেন্টাগনের মুখপাত্র পিটার কুক বলেছেন, ‘প্রকল্পটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে সিরিয়া থেকে নতুন প্রশিক্ষণার্থী সংগ্রহ বন্ধ রেখেছি আমরা। তবে যুদ্ধক্ষেত্রে থাকা বাহিনীগুলোকে আমরা সমর্থন যুগিয়ে যাচ্ছি এবং হাতে থাকা প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছি।’
যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রকল্পটি শুরুতেই হোঁচট খায়। মার্কিন সামরিক প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষিত ও অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ৬০ জনের মতো একটি বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশ করা মাত্রই আল-কায়েদার অনুসারী সিরিয়ার নুসরা ফ্রন্টের হামলার মুখে পড়ে।
চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, এদের অনেকেই নিহত হয় বা ধরা পড়ে, আর ১৮ জনের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। প্রকল্পের নির্দেশনা অমান্য করে চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশিক্ষিত কিছু বিদ্রোহী নুসরা ফ্রন্টের কাছে তাদের অস্ত্রশস্ত্র সমর্পণ করে। এর বিনিময়ে তাদের নিরাপদ স্থানে চলে যেতে দেয় নুসরার যোদ্ধারা।
এদিকে পেন্টাগন বলেছে, রাশিয়া, সিরিয়া ও ইরানের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের চুক্তিতে ইরাকও যুক্ত হয়েছে এটা জেনে তারা বিস্মিত এবং উদ্বিগ্ন।
কংগ্রেসের একটি শুনানিতে মার্কিন উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট ওয়ার্ক বলেন, ‘আমরা বিস্মিত হয়েছি যে সিরিয়া, ইরান ও রাশিয়ার সঙ্গে ইরাক এই চুক্তি করেছে।’
উল্লেখ্য, রবিবার রাশিয়া জানায় ইরাক, সিরিয়া ও ইরানের সঙ্গে তারা চরমপন্থি গ্রুপ ইসলামিক স্টেটের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানে একটি বোঝা-পড়ায় পৌঁছেছে।
