দেশের কূটনীতিকদের পাড়া বলে পরিচিত এলাকাগুলোতে কড়া নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার। ঢাকা অবস্থিত বিভিন্ন দেশের দূতাবাসগুলোকে ঘিরে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান জানান, কূটনীতিক ও অন্যদেশের নাগরিকদের সুরক্ষিত করতে এই অঞ্চলগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ সময় তিনি আরো বলেন, 'নিশ্চিতভাবেই এই হত্যাকাণ্ডটি ছিলো পূর্ব পরিকল্পিত। ধারণা করা যাচ্ছে, দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ এটি।' তিনি জানান, মূল হোতারা দূরে থেকে পেশাদার খুনিদের দিয়ে এই কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু অচিরেই তাদের গ্রেফতার করা হবে।
IMG0
পুলিশের ভারপ্রাপ্ত আইজিপি মো. মোখলেছুর রহমান জানান, কূটনীতিকদের এই অঞ্চলগুলোতে এরই মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। প্রতিটি দূতাবাসের নিকটে নিরাপত্তা প্রহরীর সংখ্যাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের নিরাপত্তা দিতে র্যাবও কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
IMG1
কূটনীতিকভাবে গুরুত্বপূর্ন অঞ্চলগুলোতে এরই মধ্যে ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। সেই সঙ্গে এই অঞ্চলের সড়কেও বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া। সিসি ক্যামেরার পর্যবেক্ষণে থাকছে গুলশান, বনানী, বারিধারা এবং উত্তরা এলাকা।
