সক্রেটিসকে নিয়ে প্লেটোর লেখা ‘আপোলোগিয়া সোক্রাতুস’ অবলম্বনে শিশিরকুমার দাশের রচনা ও আলী মাহমুদের নির্দেশনায় নাটক ‘সক্রেটিসের জবানবন্দি’। নাটকটি গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে দৃশ্যপট মঞ্চস্থ করেছে।
নাটকটির মূল কাহিনি আবর্তিত হয়েছে খ্রিস্টের জন্মের চারশ’ বছর আগের প্রেক্ষাপটকে ঘিরে। পেলোপনেসিয় যুদ্ধে এথেন্স পরাজিত হলে রাজ্যের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংস হয়। ফলে, তিরিশজন লোক এথেন্সের শাসন ও রাজ্য পরিচালনার ভার নেয়। এই তিরিশজন লোক নিয়ে গড়া হয় স্বৈরতন্ত্র। এদের মধ্য থেকে এগারো জনকে নিয়ে গঠন করা হয় একাদশ পরিষদ। যাদের কাজ ছিল গণতন্ত্রের গলা টিপে হত্যা করা আর গণতন্ত্রের সমর্থকদের শাস্তি দেয়া। স্বৈরশাসকরা তাদের সমর্থক হিসেবে যখন সক্রেটিসকে চায় তখন সক্রেটিস তাদেরকে সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানায়। আর তখনই শাসকগোষ্ঠি শুরু করে অত্যাচার-নিপীড়ন। প্রহরীরা সক্রেটিস ভেবে বিভিন্ন জনকে ধরে আনতে শুরু করলে এই একাদশ চক্রের সামনে একদিন সক্রেটিস নিজেই এসে উপস্থিত হন।
নানা ধরনের বিচারকার্য চালানোর পর সক্রেটিসের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়। সক্রেটিসও দণ্ড মেনে নিয়ে মৃত্যুর জন্য প্রতীক্ষা করতে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত হেমলক বিষপান করে আত্মহত্যা করে।
