পাঁচ দফা প্রস্তাব নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন আন্দোলনরত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অক্টোবর মাসে তাদের কোনো কর্মসূচি নেই, যথারীতি সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষাও তারা নেবেন। তবে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ১ নভেম্বর থেকে লাগাতার কর্মবিরতিসহ কঠোর কর্মসূচি দেবেন তারা।
মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে তাদের বৈঠক শুরু হয় শেষ হয় সোয়া পাঁচটার দিকে।
ফেডারেশনের সভাপতি ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কথা বিবেচনা করে তারা ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবেন এবং যথারীতি ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে। মন্ত্রীর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’
শিক্ষকদের প্রস্তাবগুলো হলোঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রবর্তনের লক্ষ্যে অনতিবিলম্বে একটি বেতন কমিশন গঠন করতে হবে। স্বতন্ত্র বেতন স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ঘোষিত অষ্টম বেতন কাঠামো পুননির্ধারণ করে সিনিয়র অধ্যাকদের বেতন ভাতা গ্রেড ১, অধ্যাপকদের গ্রেড ২, সহযোগী অধ্যাপকদের গ্রেড ৩, সহকারী অধ্যাপকদের গ্রেড ৫ ও প্রভাষকদের সপ্তম কাঠামোও গ্রেড-এ নির্ধারণ করা হোক। প্রস্তাবিত গ্রেড ১ প্রাপ্ত সিনিয়র অধ্যাপকদের মধ্য থেকে ২৫ শতাংশ শিক্ষককে সুপার গ্রেড এর দুই নম্বর ধাপে বেতন-ভাতা দেয়া হোক। রাষ্ট্রীয় ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্সে (পদমর্যাদা ক্রম) শিক্ষকদের প্রত্যাশিত বেতন কাঠামো অনুযায়ী পদমর্যাদাগত অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের অনুরূপ সুযোগ সুবিধা শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও নিশ্চিত করা হোক।
খবর ফোকাস বাংলার।
