টিপিপি চুক্তির প্রভাবের আশঙ্কায় বস্ত্রখাতের দর কমছে

আপডেট : ০৮ অক্টোবর ২০১৫, ১৯:০৪
 
পুঁজিবাজারে বৃহস্পতিবার লেনদেন হওয়া বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশির ভাগেরই শেয়ারদও কমেছে। গত আট কর্মদিবস ধরে এ ধরনের প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। 
 
বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বস্ত্র খাতে লেনদেন হয়েছে ৩৯টি কোম্পানির। এর মধ্যে ২১টি কোম্পানির শেয়ারদর আগের দিনের তুলনায় কমেছে। এর আগেও টানা সাত দিন কমেছে বস্ত্র খাতের বাজার দর।
 
বস্ত্র খাতের বাজারদর কমতে থাকার কারণ হিসেবে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, এশীয়-প্যাসিফিক দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত মুক্তবাণিজ্য চুক্তি ট্রান্স প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (টিপিপি) স্বাক্ষরিত ও কার্যকর হতে যাচ্ছে। এতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় ভিয়েতনাম এবং কম্বোডিয়াসহ বিভিন্ন প্রতিযোগী দেশ বাংলাদেশের তুলনায় এগিয়ে যাবে। আর প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে পড়তে পারে বলে অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এ ধরনের সংবাদে বাজারে বস্ত্র খাতে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। 
 
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিনিয়োগকারীরা কোম্পানির ইপিএস এবং লভ্যাংশ প্রদানের সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই বিনিয়োগ করে। কিন্তু টিপিপি চুক্তির ফলে বস্ত্রখাতের কোম্পানিগুলোর রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়লে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) এবং লভ্যাংশ প্রদানের ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়বে। ফলে শেয়ারবাজারে বস্ত্র খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কিছুটা কমেছে। 
 
এ দিকে, টিপিপি চুক্তিতে রয়েছে আমেরিকা, কানাডা এবং মেক্সিকোসহ আরো কিছু দেশ। যে দেশগুলো বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির বড় বাজার।