বাগেরহাটের শরণখোলায় পাচারকালে তের বস্তা সরকারি সারসহ মিজান খান (৩৫) নামের এক পারচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় পাচারকাজে ব্যবহৃত একটি প্লাটিনা মোটরসাইকেল, একটি ইঞ্জিন চালিত টমটম ও একটি মোবাইল সেট জব্দ করা হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাউথখালী ইউনিয়নের বকুলতলা সাম বেপারীর ব্রিজের ওপর থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক মিজানুর রহমান খান খুড়িয়াখালী গ্রামের বজলুর রহামনের ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ওইদিন সন্ধ্যায় সুন্দরবনের বগী-শরণখোলা ভারানী খালে নোঙর করা লাইটারেজ জাহাজ থেকে চোরাই পথে চোরাকারবীরা ইউরিয়া সার নামায়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে টমটম বোঝাই করে ওই সার পাচারকালে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ সারসহ পাচারকারীকে আটক করে।
এ ঘটনায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান পারভেজ বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। তিনি জানান, পাহারাদার নামধারী স্থানীয় একটি পাচারকারী চক্র এ কাজের সঙ্গে জড়িত। তারা নোঙর করা ওইসব জাহাজ থেকে সার, সিমেন্ট, তেলসহ বিভিন্ন মূল্যবার দ্রব্য চোরাই পথে নামিয়ে পাচার করে আসছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রাতে খবর পেয়ে ১৩বস্তা ইউরিয়া সারসহ পাচারকারীকে আটক করা হয়। আটক মিজানের বিরুদ্ধে সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬ এর ১২(৩) ধারায় মামলা হয়েছে।
