মিয়ানমারের জলসীমা থেকে উদ্ধারের পর আরো ১০৩ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছে। সোমবার সামবার বেলা ১টার দিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সেতু’ দিয়ে তাদের ফেরত আনা হয়।
বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সেতুর বাংলাদেশ অংশে এক যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে বিজিবির কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এম. এম. আনিসুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমারের জলসীমায় উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে আরো ৬০ জন বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। তাদের ফেরত আনার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে কার্যক্রম চলছে।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ জানান, মিয়ানমার থেকে ১০৩ জনকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সেতু দিয়ে দুপুরে দেশে ফেরত আনা হয়। এরপর চারটি বাসযোগে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। ইমিগ্রেশন সংশ্লিষ্ট কাজ শেষ করে তাদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এরপরই তাদের বাড়িতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘুমধুম সীমান্তের জিরো পয়েন্টের বিপরীতে মিয়ানমারের ঢেঁকিবনিয়ায় ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে বাংলাদেশি প্রতিনিধি দলের পতাকা বৈঠকে অংশ নিতে বিজিবির ২১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মিয়ানমার যায়। বৈঠকে ১০৩ বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ নিয়ে ছয় দফায় ৭২৯ জনকে ফেরত আনা হলো।
