খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানা এলাকার বুড়ো মৌলভীর দরগাহ পাড়ায় সংঘটিত জোড়া খুন ও গণধর্ষণ মামলার মূল হোতা সাইফুল ইসলাম পিটিল (২৮) ও তার সহযোগী আবু সাঈদ হোসেনকে (২৩) গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব-৬ খুলনার অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার র্যাব মাগুরা জেলা সদরের ভায়নার মোড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতারদের নগরীর লবণচরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। গ্রেফতার পিটিল বুড়ো মৌলভীর দরগাহ পাড়া এলাকার এবং আবু সাঈদ হোসেনও একই এলাকার বাসিন্দা। তাদের লবনচরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় র্যাব খুলনার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
ঘটনার তদন্তকারী কর্মকর্তা লবণচরা থানার এসআই কাজী বাবুল হোসেন তাদেরকে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে নগরীর লবণচরা থানা এলাকার হযরত বুড়ো মৌলভী (রহ.) দরগাপাড়া ৩ নম্বর সড়কের ‘ঢাকাইয়া হাউজ’ নামক বাড়িতে দুর্বৃত্তরা ইলিয়াস চৌধুরী ও তার মেয়ে পারভীন সুলতানাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর লাশ বাথরুমের সেফটি ট্যাংকির মধ্যে ঢুকিয়ে গুমের চেষ্টা করে। পারভীন সুলতানা এক্সিম ব্যাংক খুলনার কালিবাড়ী শাখায় ক্যাশ কর্মকর্তা ছিলেন। এ ঘটনায় নিহত ইলিয়াস চৌধুরীর ছেলে রেজাউল আলম চৌধুরী বিপ্লব বাদী হয়ে ২০ সেপ্টেম্বর হত্যা মামলা করেন। এ মামলার আসামি লিটন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যা ও ধর্ষণের কথা স্বীকার করায় রেজাউল আলম চৌধুরী বিপ্লব বাদী হয়ে ২২ সেপ্টেম্বর নতুন করে ধর্ষণ মামলা করেন। মামলায় গ্রেফতার আসামি লিটন, পিটিল তার ভাই শরিফুল ইসলামসহ চারজনকে আসামি করা হয়। অন্য দুই আসামিরা হলেন, একই এলাকার পলাশ এবং সাঈদ।
