খুলনায় জোড়া খুন-গণধর্ষণ: সাঈদের স্বীকার, পিটিল রিমান্ডে

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০১৫, ২১:২৫
খুলনা মহানগরীর বুড়ো মৌলভীর দরগাঁহপাড়ায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর জোড়া খুন ও গণধর্ষণ মামলার অন্যতম আসামি আবু সাঈদ হোসেন দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।
 
শুক্রবার বিকালে জেলা মহানগর হাকিম মো. ফারুক ইকবালের আদালতে তিনি এ জবানবন্দি প্রদান করেন। তবে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী সাইফুল ইসলাম পিটিল মুখ খোলেননি। পুলিশ স্বীকারোক্তি আদায় করতে তাকে পাঁচদিনের রিমান্ডে নিয়েছে।
 
এর আগে বৃহস্পতিবার র‌্যাবের একটি দল মাগুরা শহরের ভায়নার মোড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে খুলনার লবণচরা থানায় হস্তান্তর করে।IMG0উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে নগরীর লবণচরা থানা এলাকার হযরত বুড়ো মৌলভী (রহ.) দরগাপাড়া ৩ নম্বর সড়কের ‘ঢাকাইয়া হাউজ’ নামক বাড়িতে দুর্বৃত্তরা ইলিয়াস চৌধুরী ও তার মেয়ে পারভীন সুলতানাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর লাশ বাথরুমের সেফটি ট্যাংকির মধ্যে ঢুকিয়ে গুমের চেষ্টা করে। পারভীন সুলতানা এক্সিম ব্যাংক খুলনার কালিবাড়ী শাখায় ক্যাশ কর্মকর্তা ছিলেন। এ ঘটনায় নিহত ইলিয়াস চৌধুরীর ছেলে রেজাউল আলম চৌধুরী বিপ্লব বাদী হয়ে ২০ সেপ্টেম্বর হত্যা মামলা করেন। এ মামলার আসামি লিটন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যা ও ধর্ষণের কথা স্বীকার করায় রেজাউল আলম চৌধুরী বিপ্লব বাদী হয়ে ২২ সেপ্টেম্বর নতুন করে ধর্ষণ মামলা করেন। মামলায়  গ্রেফতার আসামি লিটন, পিটিল তার ভাই শরিফুল ইসলামসহ চারজনকে আসামি করা হয়। অন্য দুই আসামিরা হলেন, একই এলাকার পলাশ এবং সাঈদ।